Back

ⓘ আইন




                                               

আইন

মানুষকে সুষ্ঠু, স্বাধীন এবং সুশৃংখলভাবে পরিচালনার জন্য যে নিয়ম-কানুন তৈরি করা হয় তাকে আইন বলে। আইনের ইংরেজি প্রতিশব্দ Law যা Lag নামক শব্দ থেকে উদ্ভূত। Lag এর আভিধানিক অর্থ স্থির, অপরিবর্তনীয় এবং যা সর্বত্র সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে আইন হলো সার্বভৌম শক্তি কর্তৃক বলবৎযোগ্য বিধান, যা সকলের জন্য অবশ্য পালনীয়। আইন হলো নিয়মের এক পদ্ধতি যাকে নাগরিক বাধ্যতা, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং সমাজের ভিত্তি নির্মাণ করতে ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কার্জকরী করতে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া আইন বলতে সামাজিকভাবে স্বীকৃত লিখিত ও অলিখিত বিধিবিধান ও রীতিনীতিকে বোঝায়। ৩৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রি ...

                                               

পায়ুকামিতা আইন

পায়ুকামিতা আইন বা সডোমি আইন হল একটি আইন যা কিছু নির্দিষ্ট মানব যৌনাচারণকে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে। এই সকল যৌন কর্মকাণ্ডকে সডোমি নামক পরিভাষাটির দ্বারা বোঝানো হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আদালতের সংজ্ঞায় এতে এমন সব যৌন কর্মকাণ্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় যেগুলো অপ্রাকৃতিক বা অনৈতিক বলে বিবেচিত। সডোমির অন্তর্ভূত হল পায়ুসঙ্গম, মুখমৈথুন এবং পশুকামিতা। বাস্তবে, সডোমি আইন বিপরীতকামী দম্পতিদের বিরুদ্ধে খুব একটা ব্যবহৃত হতে দেখা যায় নি অর্থাৎ এই আইন মূলত সমকামিতার ক্ষেত্রেই। তবে এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে পায়ুকাম রহিত করা। বর্তমান দিনে, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে পারস্পারিক সম্মতিক্রমে সমকামী কর্মকাণ ...

                                               

আল আইন ফুটবল ক্লাব

আল আইন ফুটবল ক্লাব অথবা আল-আইন এফসি অথবা কেবল আল-আইন হচ্ছে একটি পেশাদার ফুটবল দল, যেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির আল আইন শহরে অবস্থিত। এটি একটি বহু-ক্রীড়াভিত্তিক ক্লাব আল আইন খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক ক্লাবের বেশ কয়েকটি খেলাধুলা বিভাগের মধ্যে একটি, যেটি সংক্ষিপ্তভাবে আল আইন এসসিসি নামেও পরিচিত। এই ক্লাবটি আল আইনের খেলোয়াড়, বাহরাইনী গ্রুপ অব এক্সচেঞ্জ স্টুডেন্টস এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত সুদানের সম্প্রদায় দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আল আইন হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সবচেয়ে সফল ক্লাব। ক্লাবটি বেশিরভাগ টুর্নামেন্টের শিরোপা মোট ৩২টি নিয়ে দল হিসেবে দ্রুত সারা দেশে জনপ্রিয়তা ও স্বীক ...

                                               

ভারত শাসন আইন ১৯৩৫

১৯৩২ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে লন্ডনে তৃতীয় গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় । কংগ্রেস যথারীতি ওই বৈঠকে যোগদান করেনি । অন্যান্য দল ও সম্প্রদায়ের অনেক কম সংখ্যক প্রতিনিধি এই বৈঠকে যোগদান করেছিলেন । তাঁরা ভবিষ্যৎ শাসনতন্ত্রে কয়েকটি প্রগতিশীল ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চাইলে ব্রিটিশ সরকার তা প্রত্যাখ্যান করে । তবে এই বৈঠক এবং পরবর্তী আলোচনা সমূহের ফলশ্রুতি হিসাবে ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দের ভারত শাসন আইন বিধিবদ্ধ হয় । ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের সদস্যদের নিয়ে গঠিত জয়েন্ট সিলেক্ট কমিটির রিপোর্ট, ব্রিটিশ সরকারের প্রকাশিত শ্বেতপত্র বা সরকারি দলিল প্রভৃতির সুপারিশ ও আলোচনার ভিত্তিতে ব্রিটিশ সরক ...

                                               

রাজ্য পুনর্গঠন আইন, ১৯৫৬

রাজ্য পুনর্গঠন আইন, ১৯৫৬ ছিল ভারতের রাজ্য এবং অঞ্চলগুলোর সীমানার একটি বৃহৎ সংস্কার। ভাষাগত পার্থক্য বিবেচনা করে রাজ্যগুলোকে সংগঠিত করা হয়। যদিও ১৯৫৬ সালেপর থেকে ভারতের রাজ্য সীমানায় আরও অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে, তবুও ১৯৫৬ সালের রাজ্য পুনর্গঠন আইন ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতাপর থেকে ভারতের রাজ্য সীমানায় একই সাথে সর্বাধিক বিস্তৃত পরিবর্তন। আইনটি সংবিধান সপ্তম সংশোধন আইন, ১৯৫৬ এর সাথে একই সময়ে কার্যকর হয়। এটি ভারতের বিদ্যমান রাজ্যগুলোর সাংবিধানিক কাঠামোর পুনর্গঠন করে এবং ভারতের সংবিধানের প্রথম অংশের ৩ ও ৪ অনুচ্ছেদের বিধানের অধীনে রাজ্য পুনর্গঠন আইন, ১৯৫৬ পাস করার প্রয়োজনীয় শর্তগুলো পুনর্ ...

                                               

যৌনতা ও আইন

যৌনতা ও আইন মূলতঃ মানব যৌনাচার সংক্রান্ত আইন নিয়ে আলোচনা করে। যৌন আইন আর অন্যান্য দশটি আদালতীয় আইনের চেয়ে আলাদা। সময়ের সাথে, বেআইনি যৌন কার্যক্রমকে যৌন অপরাধ বলে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। কিছু আইন এক বা একাধিক অংশগ্রহণকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে করা হলেও, অনেক ক্ষেত্রেই নির্ধারিত কিছু আচরনকে যৌন অপরাধ বলা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি অংশগ্রহণকারীদের একজনের কোন যৌনবাহিত রোগ থাকে তবে অন্য অংশগ্রহণকারীর নিরাপত্তার জন্য একটি আইনে অনিরাপদ যৌনমিলনকে; অথবা বিনা-সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক স্থাপন অংশগ্রহণকারীদের মধ্যকার সম্পর্ক ইত্যাদির ভিত্তিতে যৌন কর্মকান্ডের উপর নির্ভর করে আইন তৈর করা হয়। সাধারণত, সামাজিকভাব ...

                                               

ক্রিকেটের আইন

ক্রিকেটের আইন মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব কর্তৃক প্রণীত একগুচ্ছ নিয়ম-কানুন দ্বারা তৈরি হয়েছে। এরফলে বিশ্বব্যাপী এ আইন অনুসৃত হয়। বর্তমানে ক্রিকেট খেলা পরিচালনার জন্য ৪২টি আইন রয়েছে। এর মাধ্যমে কিভাবে খেলা শুরু হবে, জয়-পরাজয় নির্ধারিত হবে, কিভাবে ব্যাটসম্যান আউট হবে, পিচের মাপ, প্রস্তুত-প্রণালী ও সংরক্ষিত হবে - ইত্যাদি বিষয়গুলোর বিস্তারিত রূপরেখা এখানে তুলে ধরা হয়েছে। ১৭৮৮ সালে ক্রিকেটের আইন প্রণয়নের দায়িত্ব নেয় এমসিসি। এরপর থেকেই অদ্যাবধি সময় সময়ে আইন সংশোধন করে আসছে ও এ আইনের স্বত্ত্বাধিকারী। ইংল্যান্ডের লন্ডনভিত্তিক ব্যক্তি মালিকানাধীন ক্লাবরূপে এমসিসি ক্রিকেটের আনুষ্ঠানিক পরিচা ...

                                               

বঙ্গীয় আইন পরিষদ

বঙ্গীয় আইন পরিষদ ব্রিটিশ বঙ্গের আইনসভা ছিল। এটি ১৯ শতকের শেষ এবং ২০ শতকের গোড়ার দিকে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির আইনসভা ছিল। ১৯৩৭ সালে সংস্কার গৃহীত হওয়াপর থেকে ভারত বিভক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত বঙ্গীয় আইনসভার উচ্চকক্ষ হিসাবে কাজ করে।

                                               

আন্তর্জাতিক আইন

সাধারণত আন্তর্জাতিক আইন বলতে বিভিন্ন রাষ্ট্রের সমন্বয়ে সৃষ্ট আইন, যা এক রাষ্ট্র বা জাতির সাথে অন্য রাষ্ট্র বা জাতির সম্পর্ক নির্ধারণ করে। আন্তর্জাতিক আইন কোন একক রাষ্ট্রের সৃষ্টি নয়। এ আইন বিভিন্ন রাষ্ট্রের ঐকমত্য ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় এবং তা প্রত্যেক রাষ্ট্রের নিজস্ব স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অন্য রাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য সৃষ্ট। প্রত্যেক রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন শ্রদ্ধার সাথে মেনে চলতে দায়বদ্ধ। প্রধানত দুই বা ততোধিক রাষ্ট্রের স্বার্থে সৃষ্ট সন্ধিচুক্তির মাধ্যমে এ আইনের সৃষ্টি। চুক্তিবদ্ধ রাষ্ট্রগুলো এ আইন মেনে চলতে বাধ্য। তবে অনেকক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রমও দেখা ...

                                               

ভারতীয় স্বাধীনতা অধিনিয়ম ১৯৪৭

১৯৪৭ সালের ভারতীয় স্বাধীনতা অধিনিয়ম ১৯৪৭) হল যুক্তরাজ্যের সংসদের একটি আইন, যার ফলে বিভক্ত ব্রিটিশ ভারত দুটি নতুন অধিরাজ্য ভারত এবং পাকিস্তানে পরিণত হয়েছে। ১৯৪৭ সালের ১৮ই জুলাএই আইনটি রাজকীয় সম্মতি পেয়েছিল, এবং এইভাবে ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান অঞ্চল তৈরি হয়। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস,মুসলিম লীগ, এবং শিখ সম্প্রদায়ের আইনসভার প্রতিনিধিরা লুই মাউন্টব্যাটেনের সাথে একটি চুক্তি করেছিলেন, যেটি ৩রা জুন পরিকল্পনা বা মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা নামে পরিচিত। এই পরিকল্পনাটি ছিল স্বাধীনতার জন্য শেষ পরিকল্পনা।

                                               

অভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৮৭৬

অভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৮৭৬ হলো ব্রিটিশ ভারতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শিল্পচর্চার মাধ্যমে পরাধীনতা ও উপনিবেশিক শাসকদের প্রতি প্রতিবাদ প্রতিরোধের জন্য তত্কালীন সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত একটি নিবর্তনমূলক পদক্ষেপ। এই আইনটি অদ্যাবধি ভারতবর্ষের বহু স্থানে বলবত্ রয়েছে।

                                               

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন ২০০১

বাংলাদেশের অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন ২০০১ অনুসারে ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দের ১৬ ফেব্রুয়ারি তারিখ পর্যন্ত যেসব পাকিস্তানি নাগরিক পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে গিয়েছিলেন এবং তাঁদের স্থাবর সম্পত্তি যা পাকিস্তান আমলে শত্রু সম্পত্তি ও বাংলাদেশ আমলে অর্পিত সম্পত্তি নামে অভিহিত হয়েছিল, তা ফেরৎ পেতে পারেন। এই আইনের ২০০১ খ্রিস্টাব্দে প্রথমবার এবং ২০১২ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয়বারের মতো সংশোধিত হয়। সংশোধিত আইনের ৯ক ধারা অনুযায়ী সরকারী গেজেটে মৌজাভিত্তিক জেলাওয়ারি তালিকা প্রকাশেপর কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজেকে অর্পিত সম্পত্তির দাবিদার মনে করলে, তার দা ...

                                               

আইনবিদ্যায় স্নাতক

আইনবিদ্যায় স্নাতক বা ব্যাচেলর অফ লজ বলতে ব্রিটিশ কমন ল আইনব্যবস্থা যে সব দেশে প্রচলিত, সেসব দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আইন বিষয়ে প্রদত্ত প্রাথমিক উচ্চশিক্ষায়তনিক উপাধির সাধারণ নাম, যা ইংরেজিতে সংক্ষেপে এলএল.বি. বা এলএলবি নামেও পরিচিত। মূলত লাতিন লিগাম ব্যাকালাউরেস হতে এলএল.বি. পরিভাষাটি আগত।

                                               

আইনের চোখে সমতা

আইনের দৃষ্টিতে সমতা নীতিটি হলো প্রতিটি স্বতন্ত্র সত্তাকে অবশ্যই আইনের দ্বারা সমানভাবে বিচার করতে হবে এবং এগুলি সমস্ত ন্যায়বিচারের আইন এর সাপেক্ষে। সুতরাং, আইনটি অবশ্যই নিশ্চয়তা দেয় যে, সরকার কর্তৃক কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সুবিধাপ্রাপ্ত বা বৈষম্যমূলক আচরণ করবে না বা পাবে না। আইনের আগে সমতা উদারবাদীদের মৌলিক নীতিগুলির মধ্যে একটি। এই নীতিটি সমতা, ন্যায্যতা এবং ন্যায়বিচার সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল প্রশ্ন থেকে উদ্ভূত হয়। সুতরাং, আইনের আগে সাম্যতার নীতিটি বেমানান। যেমন আইনি ব্যবস্থার সাথে অ্যাসলভারি, সার্ভিডির অস্তিত্ব রুদ্ধ করে দেয়। মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণার ইউডিএইচআর অনুচ ...

                                               

আইনের সমাজতত্ত্ব

আইন সমাজতত্ত্ব বা আইন সমাজবিজ্ঞান প্রায়শই সমাজবিজ্ঞানের একটি উপশৃঙ্খলা বা আইনি অধ্যয়নের মধ্যে একটি আন্তঃশৃঙ্খলা পদ্ধতির হিসাবে বর্ণনা করা হয়। কেউ কেউ সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে "প্রয়োজনীয়ভাবে" আইন হিসাবে সমাজবিজ্ঞানকে দেখেন, তবে অন্যরা এটিকে আইন ও সমাজবিজ্ঞানের শাখার মধ্যে গবেষণার ক্ষেত্র হিসাবে বিবেচনা করার ঝোঁক রয়েছে। এখনও অনেকে এটিকে সমাজবিজ্ঞানের একটি উপশৃঙ্খলা বা আইনি অধ্যয়নের একটি শাখা হিসাবে বিবেচনা না করে, বরং বিস্তৃত সামাজিক বিজ্ঞানের ঐতিহ্যের মধ্যে নিজস্ব অধিকার নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্র হিসাবে বিবেচনা করে। সেই অনুযায়ী, মূলধারার যে সমাজবিজ্ঞান থেকে আলাদা ও তদনুসারে, এটি মূলধারার ...

                                               

আত্মহত্যা

আত্মহত্যা বা আত্মহনন হচ্ছে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে নিজের জীবন বিসর্জন দেয়া বা স্বেচ্ছায় নিজের প্রাণনাশের প্রক্রিয়াবিশেষ। ল্যাটিন ভাষায় সুই সেইডেয়ার থেকে আত্মহত্যা শব্দটি এসেছে, যার অর্থ হচ্ছে নিজেকে হত্যা করা । যখন কেউ আত্মহত্যা করেন, তখন জনগণ এ প্রক্রিয়াকে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করে। ডাক্তার বা চিকিৎসকগণ আত্মহত্যার চেষ্টা করাকে মানসিক অবসাদজনিত গুরুতর উপসর্গ হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। ইতোমধ্যেই বিশ্বের অনেক দেশেই আত্মহত্যার প্রচেষ্টাকে এক ধরনের অপরাধরূপে ঘোষণা করা হয়েছে। অনেক ধর্মেই আত্মহত্যাকে পাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যিনি নিজেই নিজের জীবন প্রাণ বিনাশ করেন, তিনি - আ ...

                                               

ঋণ সালিশি বোর্ড

ঋণ সালিশি বোর্ড হলো একটি সরকারি আইনি সংস্থা, যেটি ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতের বাংলা প্রদেশে গঠন করা হয় অসহায় ও ঋণগ্রস্থ কৃষককে সহায়তা এবং আর্থিক সুবিধা দেয়ার মাধ্যমে নিজেদের জমির দখল নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য।

                                               

কমন ল

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্গত কলোনি সমূহ যা পরবর্তীতে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, সেইসকল দেশসমূহে ইংরেজদের প্রণীত আইনের প্রভাব দেখা যার; আইনের এই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রভাবই মূলত কমন ল। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা সহ বিভিন্ন দেশ, যারা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রাক্তন কলনি, তারা কমন ল দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। দন্ডবিধি, ১৮৬০, দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮, তামাদি আইন ১৯০৮, রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ সহ বিভিন্ন আইন, যা ১৯ শতকের দিকে প্রণীত ও কার্যকরী হয়, এগুলোর মুল নির্যাস এখনো কমন ল দেশগুলোতে পরিলক্ষিত হয়।

                                               

ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স

ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্স হল এমন কিছু পাবলিক কপিরাইট লাইসেন্সের সমষ্টি, যা অন্য কোনো কপিরাইটযুক্ত কাজের মুক্ত বিতরণ সক্ষম করে। একটি সিসি লাইসেন্স ব্যবহারের মাধ্যমে লেখক তার তৈরিকৃত কাজ/লেখা অন্যকে ব্যবহার, শেয়ার করার অধিকার, এবং তার মূল কাজের উপর ভিত্তি করে নতুন কিছু নির্মাণের অধিকার প্রদান করে। সিসি একজন লেখককে নমনীয়তা উপলব্ধ করতে সক্ষম । বিভিন্ন ধরনের সিসি লাইসেন্স রয়েছে। লাইসেন্সসমূহ বিভিন্ন সংযোজনের উপর ভিত্তি করে পৃথকৃত হয় যা মূলত বিতরণের শর্ত সম্বলিত শর্ত। যা প্রাথমিকভাবে ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত মার্কিন অলাভজনক সংগঠন ক্রিয়েটিভ কমন্স কর্তৃক ডিসেম্বর ১৬, ২০০২ সালে প্রকাশিত হয়। বর্তম ...

                                               

গোয়েন্দা

গোয়েন্দা হচ্ছেন একজন পেশাদার অনুসন্ধানকারী বা তদন্তকারী কর্মকর্তা। তিনি কোন পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য অথবা নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত গুপ্তচর হতে পারেন। সাম্প্রতিককালে গোয়েন্দাকে ব্যক্তিগত গোয়েন্দা বা ব্যক্তির অন্তঃদৃষ্টি নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে। অনানুষ্ঠানিকভাবে, বিশেষতঃ কথ্য সাহিত্যে একজন গোয়েন্দাকে নিবন্ধন বা লাইসেন্সধারী কিংবা লাইসেন্সবিহীন অবস্থায় দেখা যায়। শার্লক হোমস এবং ইন্সপেক্টর ক্লোসিও অত্যন্ত জনপ্রিয় গোয়েন্দা ঔপন্যাসিক হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত নাম। গোয়েন্দার প্রধান কাজই হচ্ছে কোন গুরুতরভাবে লুক্কায়িত অপরাধ বা অমিমাংসিত ঐতিহাসিক অপরাধের ঘটনাপ্র ...

                                               

টর্ট

টর্ট এর উদ্ভব মূলত ল্যাটিন শব্দ Toram থেকে, যার অর্থ দাঁড়ায় ভুল, অর্থাৎ যে দেওয়ানি ভুল আমল যোগ্য। বাংলাদেশে টর্ট কি, তা সম্পর্কে যথাযথভাবে কোথাও, অর্থাৎ সংবিধানে বা কোন আইনে উল্লেখ করা নেই। তবে, বাংলাদেশ সহ আমদের এই ভারতীয় উপমাহাদেশের যতগুলো দেশ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্গত ছিল, সকল দেশের আইন ব্যাবস্থায় কমন ল-এর প্রভাব দেখা যায়। বাংলাদেশ-ও এর ব্যাতিক্রম নয়। টর্ট এর উৎপত্তি ইংল্যান্ডে, তাই এর সরাসরি উল্লেখ বাংলাদেশের সংবিধান বা কোন আইনে না থাকলেও, এখতিয়ারভুক্ত আদালতে এর আমলযোগ্যতা রয়েছে। টর্ট সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোন সংজ্ঞা এখনো পর্যন্ত দেওয়া সম্ভব হয়নি। এটি মুলত ধারণা এবং লিগ্যা ...

                                               

তথ্য জানার অধিকার আইন, ২০০৫

তথ্য জানার অধিকার আইন, ২০০৫ ভারতের সংসদের দ্বারা গৃহীত একটি আইন, যাতে নাগরিকগণ লোক-কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণের অধীনে থাকা তথ্য যাতে সহজে লাভ করতে পারে তারবাবে ব্যবহারিক পদ্ধতি এটা প্রবর্তন করা হয়েছে। এই আইনটি জম্মু এবং কাশ্মীর বাদে ভারতের সব রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলে প্রযোজ্য। তথ্য জানার অধিকার সংক্রান্ত জম্মু এবং কাশ্মীরের জম্মু এবং কাশ্মীর তথ্য জানার অধিকার, ২০০৯ শীর্ষক একটি নিজ আইন আছে। এই আইনের অধীনে নাগরিকগণ লোক-কর্তৃপক্ষর নিয়ন্ত্রণের অধীনে থাকা তথ্য নির্দিষ্ট মাসুলের বিনিময়ে জানতে পারে। এই আইনটি ২০০৫ সালের ১৫ জুন সংসদে গৃহীত হয়েছিল এবং সেই বছরে ১২ অক্টোবর থেকে পূর্ণ কার্যকরী ...

                                               

প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি হল বিচারর বিভাগ রয়েছে এমন বেশ কিছু রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের প্রিজাইডিং সদস্যের পদ। ইংরেজি সাধারন আইন অনুসারে এই পদটি গঠন করা হয়। এই ধরনের সর্বোচ্চ আদালত বিশিষ্ট কিছু দেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বাংলাদেশ, কানাডা, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, আইয়ারল্যন্ড, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ইত্যাদি; তবে যুক্তরাজ্যে এই বিচারব্যবস্থা কিছুটা ব্যতিক্রম।

                                               

বাংলাদেশে আইন

বাংলাদেশ একটি সাধারণ আইনের দেশ। এটির আইনগত পদ্ধতি বিকাশিত হয়েছে ব্রিটিশ ভারতের উপর তাদের ঔপনিবেশিক শাসনের সময় ব্রিটিশ নিয়মে। ব্রিটিশ ও মোগল আমলে বাংলাদেশ বঙ্গ নামে পরিচিত ছিল এবং এর আগে আগে বাংলাদেশের আরো কিছু নাম ছিল। যদিও আমাদের প্রায় পূর্ব ঐতিহাসিক যুগ থেকেই বাংলাদেশে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক উপকরণ ও প্রতিষ্ঠান ছিল। মুঘলরা প্রথমে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে এগুলি সনাক্ত ও প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিল। কিং জর্জ ১ প্রদত্ত ১৭২৬-এর সনদে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে মাদ্রাজ, বোম্বাই এবং কলকাতায় মেয়রের আদালত প্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া হয় এবং ব্রিটিশ ভারতের জন্য সেটাকে প্রথম সংহিতাবদ্ধ আইন হিসাবে স্বী ...

                                               

ভারতীয় চুক্তি আইন ১৮৭২

ভারতবর্ষে চুক্তি সম্পর্কীয় আইন ভারতীয় চুক্তি আইন ১৮৭২ তে সন্নিবিষ্ট করা হয়েছে। এই আইনটি ইংরেজ শাসনের সময়ে অনুমোদিত এবং এটি ইংরেজ সাধারণ আইনের নীতিসমূহের ওপর প্রতিষ্ঠিত। জম্মু ও কাশ্মীর বাদে সমগ্র ভারতে ভারতীয় চুক্তি আইনটি প্রযোজ্য। এই আইনটি কোন্ পরিস্থিতিতে কোনো কাজের জন্য দুটি দলের হওয়া চুক্তি আইনমতে পালনীয় হবে তাকে নির্ণয় করে। প্রত্যেক লোকই প্রতিদিন বিভিন্ন চুক্তিতে জড়িত হয়ে পড়ে। এই চুক্তিসমূহ থেকে কিছু অধিকার এবং কর্ত্তব্যর সৃষ্টি হয়। ভারতীয় চুক্তি আইনে ভারত এই অধিকার এবং কর্ত্তব্যসমূহের সুরক্ষা তথা পালনের বিষয় সামগ্রিকভাবে নেয়।

                                               

মানবাধিকার

মানব পরিবারের সকল সদস্যের জন্য সার্বজনীন, সহজাত, অহস্তান্তরযোগ্য এবং অলঙ্ঘনীয় অধিকারই হলো মানবাধিকার। মানবাধিকার প্রতিটি মানুষের এক ধরনের অধিকার যেটা তার জন্মগত ও অবিচ্ছেদ্য। মানুষ এ অধিকার ভোগ করবে এবং চর্চা করবে। তবে এ চর্চা অন্যের ক্ষতিসাধন ও প্রশান্তি বিনষ্টের কারণ হতে পারবে না। মানবাধিকার সব জায়গায় এবং সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। এ অধিকার একই সাথে সহজাত ও আইনগত অধিকার। স্থানীয়, জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক আইনের অন্যতম দায়িত্ব হল এসব অধিকার রক্ষণাবেক্ষণ করা। যদিও অধিকার বলতে প্রকৃতপক্ষে কি বোঝানো হয় তা এখন পর্যন্ত একটি দর্শনগত বিতর্কের বিষয়। বিশ্বব্যাপী মানবাধিকারের বিষয়টি এ ...

                                               

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কপিরাইট আইন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই কপিরাইট আইন তৈরি করা হয়েছে লেখক ও শিল্পীদের উৎসাহিত করার জন্য, তাদের সৃষ্টি করা শিল্প ও সংস্কৃতি উপর তাদের বিশেষ কিছু অধিকার প্রদান করার জন্য। কপিরাইট আইন, লেখক ও শিল্পীদের একচ্ছত্র অধিকার করতে প্রদান করে কাজ সৃষ্টি করতে এবং এগুলোর কপি বিক্রি করতে, একই সাথে অধিকার প্রদান করে ব্যুৎপত্তি সম্পন্ন কাজ করেতে, এবং প্রকাশ্যে তাদের কাজ প্রদর্শন করতে ও সম্পাদনা করতে। এই একচেটিয়া অধিকার একটি সময় সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং সাধারণত, অধিকারের এই মেয়াদ শেষ হয় কাজটির মালিকের মৃত্যুর ৭০ বছর পর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ১লা জানুয়ারি, ১৯২৩ সালের আগে তৈরি করা যে কোনো সঙ্গীতকে সাধা ...

                                               

মৃত্যুকালীন জবানবন্দী

মৃত্যুকালীন জবানবন্দী হলো আদালত প্রচলিত ও বহুল ব্যবহৃত একটি পরিভাষা যা ভারতীয় সাক্ষ্য আইনের ৩২ নং ধারার উপধারা বলে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রাহ্য করা হয়। সাধারণভাবে ব্যক্তির দেওয়া মৌখিক সাক্ষ্য সেই ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে গ্রহণযোগ্য নয়, মৃত্যুকালীন জবানবন্দী সেক্ষেত্রে একটি বিশেষ ব্যতিক্রম।

                                               

ম্যাজিস্ট্রেট

ম্যাজিস্ট্রেট হচ্ছেন আইন প্রয়োগ ও বিচারিক দায়িত্বপালনকারী একজন সরকারী কর্মকর্তা। প্রাচীন রোমে ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন একজন অন্যতম উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যার নির্বাহী ও বিচারিক উভয় ধরনের ক্ষমতাই ছিল। ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথকীকরনেপর বাংলাদেশে বর্তমানে ম্যাজিস্ট্রেটগণ সাধারণত ফৌজদারী অভিযোগ আমলে গ্রহণ ও বিচার করেন।

                                               

দেশ অনুযায়ী ইসলামী আইন প্রয়োগ

অষ্টম ও নবম শতাব্দীর প্রথমার্ধের ইসলামী রাষ্ট্রগুলি থেকে, ইসলামী আইন সবসময় অন্যান্য আদর্শ পদ্ধতিগুলির সাথে বিদ্যমান ছিল। শরিয়তে কিছু অপরাধ হুদুদ নামে পরিচিত, যার জন্য ইসলামে নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট দণ্ড রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, কিছু ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ব্যভিচারের শাস্তি দেওয়া হয় পাথর ছুড়ে, অবৈধ সম্পর্ক ও মদ্যপান এর শাস্তি কশাঘাত এবং চুরির শাস্তি অঙ্গচ্ছেদ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মুসলিম দেশগুলো তাদের অপরাধমূলক বিচার ব্যবস্থায় হুদুদ শাস্তিবিধান গ্রহণ করেনি। কঠোর শাস্তির ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে এবং বেশির ভাগ মুসলমান-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ শরিয়তের বিভিন্ন দিক অবলম্বন করে থাকে, যদিও কিছু দেশে কেবল কিছু ...

                                               

সেকশন ৩৭৭

সেকশন ৩৭৭ ব্রিটিশ ঔপনিবেশ আমলের একটি ভারতীয় আইন যেটি ব্রিটিশদের অধীনস্থ ৪২ টি দেশে করা হয় এবং এটি পায়ুকাম নিষিদ্ধ বিষয়ক একটি আইন। মূলত সমকামীদের ক্ষেত্রে আইনটি বানানো হলেও এটি বিষম যুগলদের মধ্যেও পায়ুকাম করতে বারণ করে যদিও বিষম যুগলদের প্রতি অতটা কড়াকড়িভাবে আরোপ করা হয়নি। ঠিক পায়ুকামিতা আইন এই সেকশন ৩৭৭ অনুযায়ী ভারতীয় উপমহাদেশে তৈরি হয় যেটাতে স্বামী-স্ত্রীর যোনি-শিশ্নের মিলন ছাড়া সকল প্রকার যৌন-কর্মকে অস্বাভাবিক এবং প্রকৃতিবিরুদ্ধ বলা হয়। এই আইনে বলা হয়েছে, যদি কেউ প্রকৃতির আদেশের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো পুরুষ বা নারী বা কোনো প্রাণীর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হয় তবে তাকে দশ বছর কারাদণ্ ...

                                               

স্টপ অনলাইন পাইরেসি অ্যাক্ট

স্টপ অনলাইন পাইরেসি অ্যাক্ট, সংক্ষেপে সোপা হচ্ছে ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ২৬ অক্টোবর উত্থাপিত, যুক্তরাষ্ট্র সিনেট প্রস্তাবিত একটি বিল। মূলত অনলাইনে স্বত্বাধিকার ও মেধাস্বত্ব রক্ষা করার জন্য এ বিলটি পাসের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবের মধ্যে আছে কপিরাইট বা স্বত্বাধিকার না মেনে যেসব ওয়েবসাইট বিজ্ঞাপন ও অর্থপ্রদান করবে তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ, সার্চ ইঞ্জিনগুলো্র বিভিন্ন কপিরাইট বা স্বত্বাধিকার না মেনে চলা সাইটের সাথে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ এবং ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের ওইসব ওয়েবসাইটগুলো ব্লক করতে বাধ্য করা। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে পাস হওয়াপর এ বিলটি একটি আইন বলে গণ্য হবে এবং এর ...

                                               

স্বীকারোক্তি

স্বীকারোক্তি হল যে কোনো সময় দেওয়া এমন একধরনের স্বীকৃতি বা বক্তব্য যার মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের অপরাধ কবুল করে। ভারতীয় সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির সংজ্ঞা না দেওয়া থাকলেও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে। এই আইন ধারা নং ২৪ - ৩০ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি ফৌজদারী মামলায় একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিষয়রূপে চিহ্নিত।

                                     

ⓘ আইন

  • স ট ক প রথম স হ ত বদ ধ আইন হ স ব স ব ক ত হয তখনক র ব র ট শ ভ রত র অ শ হ স ব তৎক ল ন ব ল র জন য ও এট প রথম স হ ত বদ ধ আইন ছ ল এক ত তর র স ব ধ নত র
  • অন ধ রপ রদ শ প নর গঠন আইন হল ভ রত র একট স সদ য আইন এই আইনট ত লঙ গ ন ব ল ন ম সমধ ক পর চ ত এই আইন বল অন ধ রপ রদ শ র জ যট ক ভ ঙ ত লঙ গ ন
  • উত তরপ রদ শ প নর গঠন আইন ভ রত য স সদ দ ব র ত র একট আইন য ট উত তর খণ ড র জ য গঠন কর র জ যট উত তর ঞ চল ন ম উত তর প রদ শ র জ যক ভ ঙ গ স ষ ট র
  • ব ল প ত কর স প ট ম বর ত ব ল দ শ র স সদ কণ ঠভ ট ড জ ট ল ন র পত ত আইন প স হয এ আইনট প রস ত ব র পর গণম ধ যম এব স ম জ ক ম ধ যম র কর ম সহ
  • মধ যপ রদ শ প নর গঠন আইন হচ ছ ভ রত র স সদ প শক ত এব বর তম ন ব স তব য ত একট আইন এই আইন র ম ধ যম ছত ত শগড ক র জ যক তৎক ল ন মধ যপ রদ শ র জ যক
  • পর ব শ আইন হল একধরন র আইন র ন ম য ট পর ব শ রক ষ র থ প রণয ন কর হয ছ প র ইত হ সজ ড ই পর ব শ র রক ষ র থ ও ম ন ষ র কল য ণ র জন য ন ন আইনগত পদক ষ প
  • প রধ ন স মর ক আইন প রশ সক একট পদ য ত আস ন ব যক ত ক ছ র ষ ট র য মন ব ল দ শ, প ক স ত ন ও ইন দ ন শ য য স মর ক আইন ক র যকর কর র দ য ত ব ছ ল ন প রশ সক র
  • ব ব হ আইন স শ ধন ব ল এই ব ব হ আইন স শ ধন ব লট দ বছর প র থম ক ভ ব মন ত র সভ র অন ম দন ন য র জ যসভ য প শ হয ছ ল ত র পর স ট স সদ য স ট য ন ড
  • আন তর জ ত ক অপর ধ ট র ইব ন ল আইন হল স ল প শ হওয একট আইন য র অধ ন ব ল দ শ র গণহত য য দ ধ পর ধ ও ম নবত ব র ধ অপর ধসহ আন তর জ ত ক আইন র
  • প র ববঙ গ য র ষ ট র য অধ গ রহণ ও প রজ স বত ত ব আইন - প র ব প ক স ত ন র ষ ট র য অধ গ রহণ আইন ন ম ও পর চ ত তদ ন ন তন প ক স ত ন ন য ন ত র ত
                                               

আইন কমিশন (বাংলাদেশ)

আইন কমিশন হল বাংলাদেশে প্রচলিত আইন পুনর্নিরীক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের সুপারিশ পেশ করার উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে প্রণীত আইনবলে গঠিত একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। আইন কমিশনের প্রধান কাজ হচ্ছে সকল আইন সর্বদা বিবেচনায় রেখে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইন সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করা।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
                                               

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি মন্ত্রণালয় । বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম এ সংস্থাটি আইন বিষয়ক বিধি-বিধান প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে থাকে।

জাতিসংঘ সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদ
                                               

জাতিসংঘ সমুদ্র আইনবিষয়ক সনদ

ভিন্ন দেশে সমুদ্র সম্পর্কিত আইন রয়েছে, যেমন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কর্তৃক সমুদ্র আইন পাস করা হয় যা আঞ্চলিক পানি ও সামুদ্রিক এলাকা আইন ১৯৭৪ The Territorial Waters And Meritime Zones Act, 1974 নামে পরিচিত। এছাড়া জাতিসংঘের "সমুদ্র আইন বিষয়ক জাতিসংঘ কনভেনশন, ১৯৮২" একটি আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন যা বিশ্বব্যাপি স্বীকৃত।

Users also searched:

হিন্দু ওয়ারিশ আইন,

...
...
...